এগুলি সাধারণত শুকনো ফল হিসাবে বিক্রি হয় এবং অন্যান্য খাবারে উপভোগ করা হয়। তাদের প্রাকৃতিক মিষ্টি থাকার কারণে, রক্তে শর্করার উপর তাদের প্রভাব পরলে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য চিন্তার কারণ হতে পারে।
ডায়াবেটিস রোগীরা কি খেজুর খেতে পারবে ?
প্রতিটি শুকনো খেজুরে 67 কেলরি এবং প্রায় 18 গ্রাম কার্বোহাইড্রেট থাকে। খেজুর প্রাকৃতিক ভাবে পাওয়া ফ্রুক্টোজের উৎস।
ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হতে পারে । যাদের এই অবস্থা রয়েছে তাদের কার্বোহাইড্রেট গ্রহণের বিষয়ে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। তাদের উচ্চ কার্বোহাইড্রেট সামগ্রী , খেজুর ঝুকি বাড়াতে পারে।
যাইহোক, পরিমিতভাবে খাওয়া হলে আপনার ডায়াবেটিস থাকলে খেজুর একটি স্বাস্থ্যকর খাদ্যের অংশ হতে পারে। একটি শুকনো খেজুর প্রায় 2 গ্রাম ফাইবার থাকে।
খাবারের মধ্য যত বেছি ফাইবার থাকবে , তত কম ঝুকি থাকবে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের। সেটার জন্য ফাইবার যুক্ত খাবার অনেক উত্তম খাবার হবে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের।
ফাইবার জাতীয় খাবার কোনগুলো ?
১। নাশপাতি এতে ৩.১ গ্রাম ফাইবার থাকে।
২। স্ট্রবেরি ২ গ্রাম ফাইবার থাকে।
৩। এভকাদু ৬.৭ গ্রাম ফাইবার থাকে।
৪। আপেল ২.৪ গ্রাম ফাইবার থাকে।
৫। রছবেরি ৬.৫ গ্রাম ফাইবার।
৬। মটর বিন ৫ গ্রাম ফাইবার।
৭। ব্রকলি ২ গ্রাম ফাইবার।
৮। ওটস ৭ গ্রাম ফাইবার।
৯। মসুর ডাল ১৫ গ্রাম ফাইবার।
১০। পরিষ্কার পপকন ২ গ্রাম ফাইবার।
ডায়াবেটিস রোগীরা কি কলা খেতে পারবে ?
হ্যা, ডায়াবেটিস রোগীরা কলা খেতে পারবে, কারন কলায় ফাইবার, ভিটামিন এবং মিনারেল থাকে। যেটা আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারী এবং ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও অনেক উপকারী।
ডায়াবেটিস রোগীরা কি ডিম খেতে পারবে ?
হয়, ডায়াবেটিস রোগীরা ডিম খেতে পারবে, কারন এতে প্রোটিন থাকে। যেটা আমাদের রক্তত সুগার লেবেল বজাই রাখাত সহায় করে।
DICLAIMER
এই ওয়েবসাইটের বিষয়বস্তু শুধুমাত্র তথ্যগত উদ্দেশ্যে এবং পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিত্সার বিকল্প হওয়ার উদ্দেশ্যে নয়। চিকিৎসা সংক্রান্ত অবস্থার বিষয়ে আপনার যেকোন প্রশ্ন থাকলে অনুগ্রহ করে একজন চিকিত্সক বা অন্য যোগ্য স্বাস্থ্য প্রদানকারীর পরামর্শ নিন।
