কি খেলে যমজ সন্তান হয় ? what to eat to get pregnant with twins naturally ?

প্রাকৃতিক ভাবে বাচ্চা যমজ হওয়ার জন্য মানুষ বিভিন্ন ধরণের ক্রিয়া কলাপ চেষ্টা করে। অথবা বিভিন্ন ধরণের প্রশ্ন গোগলে করে থাকে । প্রশ্ন গুলা হচ্ছে এই ধরণের –

  • কি খেলে যমজ সন্তান হয় ?
  • জমজ বাচ্চা কত সপ্তাহে ডেলিভারি হয় ?
  • জমজ বাচ্চা হওয়ার উপায় ।
  • জমজ বাচ্চার নড়াচড়া ।
  • জমজ সন্তান হওয়ার লক্ষণ ।
  • যমজ ফল খেলে কি যমজ সন্তান হয় ?

চলুন আমরা এক এক করে সব প্রশ্নের উত্তর বিস্তারিত জানবো।

কি খেলে যমজ সন্তান হয় ?

অনেক খাবার আছে যেঁগুলা খাবার আপনার বাচ্চা জন্ম দেওয়ার ক্ষমতা বাড়ায়।

  • ইয়াম – এই খাবার টা নাইজেরিয়ার মানুষ বেশি খায়। তার জন্য ঐখানের মানুষের জমজ বাচ্চা বেশি। এই খাবারে বেশি মাত্রায় প্রোজেস্টেরন এবং ফাইটোস্ট্রোজেন পাওয়া যায়। যেটাতে মানুষের শরীরে বেশি এগ জন্ম হওয়ার সম্ভবনা বেড়ে যায়। এই জন্যে একজন মানুষের জমজ বাচ্চা হওয়ার সম্ভবনা টাও বেড়ে যায়।
  • ফলিক এসিড যুক্ত খাবার – যেমন আভকাদু, পালং শাক, ব্রকলি, এবং অ্যাসপারাগাস । এই খাবার গুলো বাচ্চা হওয়ার পরেও চিকিৎসক রা খেতে বলে, এতে বাচ্চা সুস্থ থাকে। কিন্তু যে স্বামী স্ত্রী বাচ্চা নেওয়ার জন্য চেষ্টা করতেসে ওদের জন্যও ফলিক এসিড খুব উপকারী। এই খাবার গুলো প্রতিদিন সকাল বিকাল সেদ্ধ করে বা রান্না করে খেতে পারলে জমজ বাচ্চা হওয়ার সম্ভবনা আছে।
  • দুধ – দুধ বা দুধ জাতীয় খাবার গুলা বেশি খেলেও জমজ বাচ্চা হতে পারে। কারন এতে অতিরিক্ত প্রোটিন থাকে, যেটা বাচ্চা জন্ম হওয়ার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
  • ম্যাকা রুট – এই খাবার গুলো যাদের বাচ্চা হওয়া নিয়ে সমস্যায় আছে, অথবা বাচ্চা হচ্চে না তাদের জন্য অনেক উপকারী। এবং যারা জমজ বাচ্চা নিতে চায় ওদের জন্নেও অনেক লাভদায়ক হবে।
  • কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট – মটর, মটরশুটি, গোটা শস্য, এবং সবজিতে বেশি বেশি পাওয়া যায়। যদি আপনারা এই খাবার গুলা প্রতিদিন নিয়মিত খেতে থাকেন। তবে আপনাদের জমজ বাচ্চা হতে পারে।

মনে আপনারা মনে রাখবেন যদি আপানারা বা যে মহিলা জমজ বাচ্চা নিতে যায়। তার ওজন কম থাকলে ওজন বাড়ানোর চেষ্টা করবেন। গবেষণায় পাওয়া গেছে যে, বেশির ভাগ জমজ বাচ্চা থাকা মহিলার ওজন বেশি ছিল।

জমজ বাচ্চা কত সপ্তাহে ডেলিভারি হয় ?

সাধারণতে বাচ্চা ৪০ সপ্তাহে ডেলিভারি হয় কিন্তু জমজ বাচ্চা ৩৭ সপ্তাহে হয়।

জমজ বাচ্চার নড়াচড়া ।

সব মানুষের এই প্রশ্ন টা থাকেই যে বাচ্চা হইলে নড়াচড়া কোন দিকে করে। আর জমজ বাচ্চার জন্য তো সাধারণতে বেশি প্রশ্ন করে থাকে ।

সব বাচ্চায় পেটে থাকা অবস্থায় আলাদা আলাদা ভাবে নড়াচড়া করে। যেমন,

  • বাও দিকে নড়াচড়া করা ।
  • ডান দিকে নড়াচড়া করা।
  • উপর দিকে নড়াচড়া করা।
  • নিছ দিকে নড়াচড়া করা।

কিন্তু জমজ বাচ্চার টা একটু ব্যাতিক্রম হবে। কারন, এই ক্ষেত্রে দুই দিক থেকে নড়াচড়া করবে। যেমন,

  • উপর এবং নিছে একসাথে নড়াচড়া করবে।
  • বাও এবং ডান দিকে একসাথে নড়াচড়া করে।

জমজ সন্তান হওয়ার লক্ষণ ।

  • স্তন টান টান মনে হবে।
  • ঘন ঘন পেশাব হবে।
  • খিধা বেশি লাগবে বা খাইতে বেশি মন করবে।
  • সকালে অনেক কমজোরের ভাব মনে হয়।

DICLAIMER

এই ওয়েবসাইটের বিষয়বস্তু শুধুমাত্র তথ্যগত উদ্দেশ্যে এবং পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিত্সার বিকল্প হওয়ার উদ্দেশ্যে নয়। চিকিৎসা সংক্রান্ত অবস্থার বিষয়ে আপনার যেকোন প্রশ্ন থাকলে অনুগ্রহ করে একজন চিকিত্সক বা অন্য যোগ্য স্বাস্থ্য প্রদানকারীর পরামর্শ নিন।

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *