গুগলে সব চেয়ে বেশি প্রশ্ন করা হয়। যেমন, পানি বেশি খেলে প্রস্রাব বেশি হয়, কত ঘন্টা পর পর প্রস্রাব হওয়া স্বাভাবিক ? দিনে কতবার প্রস্রাব হওয়া স্বাভাবিক ? ঘন ঘন প্রস্রাব কিসের লক্ষণ ? ঘন ঘন প্রস্রাব দূর করার ঘরোয়া উপায় ?
আজকে আমরা এই লেখাটিতে সব প্রশ্নের উত্তর বিস্তারিত ভাবে জানবো। চলুন এক এক করে জেনে নেই…………।
পানি খাওয়ার কতক্ষণ পর প্রস্রাব হয় ?
- প্রথমে, এটা বুজতে হবে যে পানি খাওয়ার পর শরীরে কয়টা রাস্তা থাকে, পানি টাকে বার করে দেওয়ার জন্য। শরীর থেকে পানি বার করার জন্য দুই রাস্তা আসে , একটা হল প্রস্রাব এবং দুই নম্বর টা হল ঘাম।
- দ্বিতীয়তে, এটা বুজতে হবে যে, আপনারা কি বসা কাজ করুন না আপনার কাজে অনেক টা খাটতে হয় বা ঘাম বেরিয়ে আসে।
- তৃতীয়তে, আপনারা পানি পান করার পর যদি অনেক খাটনি করতে হয় যেটাতে ঘাম বেরিয়ে আসে । এই ক্ষেত্রে আপনাদের প্রস্রাব হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে, কারন আপনার খাওয়া পানি ঘাম হয়ে বার হয়।
- চতুর্থ, যদি আপনারা পানি খাওয়ার পর কোনো কাজ না করেন, এই ক্ষেত্রে পানি খাওয়ার ৫ মিনিট পর প্রস্রাব হতে পারে।
পানি বেশি খেলে প্রস্রাব বেশি হয় ।
হ্যা, আপনারা যত বেশি পানি পান করবেন, ততোটাই আপনাদের প্রস্রাব করতে লাগবে। কারন আপনার মূত্রথলি কেবল ৫০০ মিলিলিটার থেকে ৭০০ মিলিলিটার পর্যন্ত ধরে রাখতে পারে। মহিলাদের ক্ষেত্রে ৫০০ মিলিলিটার পর্যন্ত এবং পুরুষের ক্ষেত্রে ৭০০ মিলিলিটার পর্যন্ত ধরে রাখতে সম্ভব।
যখনি আপনার মূত্রথলির ধরে রাখার সীমা পার যাবে, তখনি প্রস্রাব লাগবে।
কত ঘন্টা পর পর প্রস্রাব হওয়া স্বাভাবিক ? – এটার কোনো সময় ধরা বান্ধা নাই, পানি বেশি খেলে প্রস্রাব বেশি হয় । দিনে কতবার প্রস্রাব হওয়া স্বাভাবিক ? – এইটাও নির্ভর করে আপনার পানি পান করার উপরে।
ঘন ঘন প্রস্রাব কিসের লক্ষণ ?
পানি পান করা হইলে, আপনার প্রস্রাব হবে । কিন্ত আপনি একবার পানি পান করলে কয়েক বার প্রস্রাব করতে লাগে বা পানি না খেলেও আপনার বার বার প্রস্রাব হয়। এই ক্ষেত্রে আপনার ডাক্তারের পরামর্শ দরকার।
ঘন ঘন প্রস্রাব দূর করার ঘরোয়া উপায় ? – ডালিমের পেস্ট, মেথি বীজ খেতে পারেন, আমলা খেতে পারেন, কেগেল ব্যায়াম করতে পারেন।

DICLAIMER
এই ওয়েবসাইটের বিষয়বস্তু শুধুমাত্র তথ্যগত উদ্দেশ্যে এবং পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিত্সার বিকল্প হওয়ার উদ্দেশ্যে নয়। চিকিৎসা সংক্রান্ত অবস্থার বিষয়ে আপনার যেকোন প্রশ্ন থাকলে অনুগ্রহ করে একজন চিকিত্সক বা অন্য যোগ্য স্বাস্থ্য প্রদানকারীর পরামর্শ নিন।