গোল মাটোল মুখ দেকতে সুন্দর এবং কম বয়সী মানুষ মনে হয়। ভরা গাল থাকা আজকাল ফ্যাশনে পরিবর্তন হইছে। আপনাদের যদি গোল গাল বা ভরা গাল অনেক পসন্দ হয়। আপনারাও আপনাদের গাল গোল করতে চান তবে এই লেখাটি পরতে পারেন।

চাপা ভাঙ্গা ঠিক করার ট্যাবলেট ।

আজকাল সবাই কিছু না কিছু হতেই তাদের মেডিসিন লাগে। এটা সত্যি যে কিছু কিছু ক্ষেত্রে মেডিসিন না খেলে চলে না। কিন্তু সব কিছুর ক্ষেত্রে মেডিসিন খাওয়া লাগে না । যদি খেতে হয় তবে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়েই খেতে হবে।

চাপা ভাঙ্গা ঠিক করার ট্যাবলেট নয়, কিছু প্রাকৃতিক খাবার আছে । যেঁগুলা খেলে আপনাদের গাল ভাঙ্গা সমস্যা দূর হয়ে যাবে।

চলুন জেনে নেই, গাল ফুলানোর সহজ উপায় এবং লম্বা মুখ গোল করার উপায় ।

  • ত্বকে এলো ভেরা ব্যবহার করুন। যেখানে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন সি, এবং ভিটামিন E থাকে, যেটা আপনার ত্বকের জন্য উপকারি।
  • ভিটামিন C এবং ভিটামিন E জাতীয় খাবার বেশি খাওয়া দরকার।
  • প্রতিদিন আপেল খেতে পারলে আপনার ত্বকের জন্য অনেক ভালো। যেটা আপনারা ত্বকের কোষ নষ্ট হয়ে যাওয়া থেকে বাঁচাইয়া রাখে।
  • গ্লিচেরিন এবং গোলাপের পানি ব্যবহার করুন। প্রতিদিন ঘুম আশার আগে লাগাইতে পারেন।
  • আপনার ত্বকে মধু ব্যবহার করতে পারেন এবং খেতেও পারেন। যেটা ত্বকে মসৃণতা এবং কম বয়সীর মতো অনুভব করাবে।
  • দুধ পান করতে পারেন এবং মুখে বা ত্বকে ব্যবহার করে পারে। দুধে অনেক উপাদান থাকে । যেমন
    • এমিনো এসিড।
    • ক্যালসিয়াম।
    • ভিটামিন b12
    • প্রোটিন।
    • ভিটামিন a & d ।
    • লাকটিক এসিড।
  • তেল ব্যবহার করুন। বাদাম তেল, যা ত্বকের স্বর উন্নত করতে সাহায্য করবে। অ্যাভোকাডো তেল, যা ফাটা ত্বকের জন্য ভাল ।
  • নারকেল তেল, যা অতিবেগুনী বিকিরণ থেকেও রক্ষা করে । জলপাই তেল, যা বিরোধী প্রদাহজনক বৈশিষ্ট্য আছে।
  • শিয়া বাটার দিয়া মাসাজ করুন। প্রথমে এক কাপ শিয়া বাটার নিয়ে, দের কাপ চিনি নিয়ে পেস্ট বানান। এইটা ৫ মিনিটের মতো আপনার গালে মাসাজ করুন। তার পার ১০ মিনিটের মতো এইটাকে সেরে দিন। ১০ মিনিটের পরে এইটাকে গরম পানি দিয়ে দুয়ে ফেলুন।
  • বাদামের বীজ খেতে নিয়মিত খেতে পারেন।
  • সূর্য থেকে ত্বক সুস্থ রাকতে ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন।

যদি আপনারা সব ফল এবং ভিটামিন একসাতে খেতে চান, তবে এইখানে কিলিক করুন

সুস্থ থাকার টিপস

DICLAIMER

এই ওয়েবসাইটের বিষয়বস্তু শুধুমাত্র তথ্যগত উদ্দেশ্যে এবং পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিত্সার বিকল্প হওয়ার উদ্দেশ্যে নয়। চিকিৎসা সংক্রান্ত অবস্থার বিষয়ে আপনার যেকোন প্রশ্ন থাকলে অনুগ্রহ করে একজন চিকিত্সক বা অন্য যোগ্য স্বাস্থ্য প্রদানকারীর পরামর্শ নিন।

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *